• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Health

দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
স্বাস্থ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের নতুন নির্দেশ: সব ঔষধের দোকানে বাধ্যতামূলক কিউ–আর কোড, অভিযোগ জানানো আরও সহজ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর দেশের সমস্ত ঔষধের দোকানে কিউআর কোড (QR Code) বসানো বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সাধারণ উপভোক্তারা নির্দিষ্ট একটি সরকারি পোর্টালে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। ফলে ওষুধ বিক্রি সংক্রান্ত অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ভুল মূল্য নির্ধারণ, বা বেআইনি বিক্রির মতো সমস্যা দ্রুত নজরে আসবে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। ক্রমবর্ধমান অনিয়ম রুখতে ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। এছাড়াও একটি টোল ফ্রী নম্বার প্রকাশ করা হয়েছে, যদি আপনি ওষুধ-সংক্রান্ত (নকল/জাল/ভুল বা সমস্যাজনিত) অভিযোগ করতে চান, আপনি টোল-ফ্রি নম্বর কাজে লাগাতে পারেন:Central Drugs Standard Control Organisation (CDSCO) এর জন্য: 1800-180-3024কীভাবে কাজ করবে এই কিউআর কোড?প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেডিসিন শপে দৃশ্যমান স্থানে একটি ইউনিক কিউআর কোড লাগাতে হবে।ক্রেতা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই তিনি সরকারি অভিযোগ পোর্টাল/অ্যাপে পৌঁছে যাবেন।সেখানে দোকানের নাম, লাইসেন্স নম্বর, অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।ক্রেতা সহজেই অভিযোগ বা ফিডব্যাক জমা দিতে পারবেন।প্রাপ্ত অভিযোগ সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের কাছে পৌঁছবে।কবে থেকে কার্যকর?দফতর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব দোকানে কিউআর কোড বসানো বাধ্যতামূলক। সময়সীমার পর নিয়ম না মানলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।কী বলছেন স্বাস্থ্য দফতর?দফতরের মতে, সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযোগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে। প্রত্যেক উপভোক্তা যেন দোকানের বিরুদ্ধে সরাসরি মতামত বা অভিযোগ জানাতে পারেন, এটাই লক্ষ্য।দোকানদারদের প্রতিক্রিয়াঅনেক ফার্মাসিস্ট এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও কিছু দোকান মালিকের দাবি, বাড়তি প্রশাসনিক চাপ বাড়বে। তবে অধিকাংশের মত, স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।কেন জরুরি এই উদ্যোগ?ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাফার্মেসিতে নিয়ম ভঙ্গ বন্ধনকল/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রাহককে ক্ষমতায়নকেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

মালদার সরকারি হাসপাতাল চত্বরে আগুন, ধোঁয়া, আতঙ্কে ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যায় রোগীও

হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারি গ্রামীণ হাসপাতালে জঞ্জাল থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো । এমনকি আগুনের ধোঁয়ায় ওই সরকারি হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চরম অস্বস্তিতে পড়ে রোগী ও তাদের আত্মীয়েরা। পাশাপাশি কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদেরও সমস্যায় পড়তে হয়। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনার পর দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই হাসপাতালের জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনার জায়গা থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে।সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের পাশেই জমে রয়েছে আবর্জনার স্তুপ। সেখানেই কোনও ভাবে আগুন লেগে যায়। তারপরে বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সমগ্র ওয়ার্ড। ধোঁয়ার বীভৎসতায় প্রসূতি থেকে শুরু করে অন্যান্য রোগীরা ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। চিকিৎসক নার্সরা চেষ্টা করেন রোগীদের সুরক্ষিত ভাবে বাইরে বের করার। তারাও শ্বাসকষ্টের কারণে সাময়িক ভাবে অসুস্থ বোধ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে আগুন। সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু হয়। খোঁজ দেওয়া হয় দমকল কে। তারপর কিছু ক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে পরিস্থিতি। যদিও ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনা রয়েছে। সেখান থেকে আবর্জনা বের করার সময় বা নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। সেই জায়গায় কেউ ধূমপান করে ফেলার ফলে বা অন্য কোনো কারণে আগুন লেগে গিয়েছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ ছোটনমন্ডল জানিয়েছেন, হাসপাতালের জঞ্জাল মজুত রাখার জায়গাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল। ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে সাময়িক একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করে দমকল।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

চিকিৎসার জন্য আর বাইরে নয়,কল্যানীর এইমসে রোগী দেখানোর খুঁটিনাটি তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

রোগী দেখাতে আর বাংলার বাইরে ছুটতে হবে না। এখানেই গড়ে উঠেছে চিকিৎসা পরিষেবার বৃহত্তর হাসপাতাল। নদীয়ার কল্যানীতে গড়ে উঠেছে এইমস। সেই হাসপাতাল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। কীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যাবেন কীভাবে সমস্তই তথ্যই থাকছে এখানে।১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে কল্যানীর এইমস। এই আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে মোট ৯৬০টা বেড। তার মধ্যে এখন চালু হচ্ছে ৪৫০টি বেডের পরিষেবা। ধীরে ধীরে সমস্ত বেডই চালু হয়ে যাবে। এখানে চিকিৎসক দেখাতে হলে প্রথমেই ১০টাকা দিয়ে একটা বই করাতে হবে। এই বইটির মেয়াদ একবছর। একবছর ফ্রিতে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এই হাসপাতালে বেডের ভাড়া দিনপ্রতি মাত্র ৩৫টাকা। এই টাকার বিনিময়ে রোগী এখানে খাবারও পাবে। এখানে ভর্তির সময় ১০ দিনের টাকা অর্থাৎ ৩৫০টাকা দিতে হবে। কসান মানি দিতে হবে ২৫ টাকা। মোট খরচ ৩৭৫ টাকায় ১০ দিন এখানে চিকিৎসা হবে। যাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুস্মান ভারতের কার্ড রয়েছে তাঁদের এই টাকাও লাগবে না। গরিব মানুষের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। স্বাস্থ্যের সমস্ত ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন। রোগী দেখা হয় ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত খোলা থাকে আউটডোর। অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে।কল্যানীতে কিভাবে যাওয়া যাবে?শিয়ালদা থেকে ট্রেন যোগে সহজেই যাওয়া যাবে কল্যানী। আবার যাঁরা মুর্শিদাবাদের দিক থেকে আসবেন তাঁরাও ট্রেনে যোগে এই স্টেশনে আসতে পারবেন। বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকে এলে নৈহাটি থেকে ট্রেন ধরবেন। নৈহাটি থেকে একেবারেই কাছে। তাছাড়া যে কোনও প্রান্ত থেকে সড়ক যোগাযোগেও যাওয়া যেতে পারে কল্যানী। জিটি রোড ধরে হুগলির পান্ডুয়ার পরেই ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পার হলেই কল্যানী।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

মালদায় বার্ড ফ্লু নিয়ে শোরগোল! পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যকর্তা

মানবদেহে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ খতিয়ে দেখতেই মালদার কালিয়াচকে আক্রান্ত শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তিন প্রতিনিধি দল । শুক্রবার কালিয়াচক ১ ব্লকের আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সিলামপুর এলাকার আক্রান্ত ওই শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি সহ তিনজন কর্মকর্তা। তাঁরা কথা বলেন আক্রান্ত শিশুর পরিবারের সঙ্গে। তবে পরিস্থিতি খুব উদ্বেগ জনক নয় বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে শিশুর শরীরে পশু-পাখির রোগের সংক্রমণ মিলতেই গোটা আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে। করোনার মত এই রোগ মানব দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে কিনা তা নিয়েও রীতিমতো চিন্তিত রয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামের বাসিন্দারা।এদিন ওই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার পর কালিয়াচক ১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়েও বৈঠক করেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা। আক্রান্ত শিশুর মা এবং বাবা জানিয়েছেন, গত চার মাস ধরে তার ছেলে জ্বরে আক্রান্ত রয়েছে। প্রায় দিনই অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। একবার অক্সিজেন দিতে গেলে এক হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে। ঘটিবাটি বিক্রি করে তাঁরা ছেলের কোনরকমে চিকিৎসা চালাচ্ছেন । এই অবস্থায় ভালো চিকিৎসা পরিষেবার দাবিও জানিয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার । তাঁরা দাবি করেছেন, ছেলের বার্ড ফ্লু হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারি মাসের এই রোগ এতদিন পর কেন জানানো হলো তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।উল্লেখ্য, সিলামপুর এলাকার চার বছরের শিশুর গত জানুয়ারি মাসে জ্বর, পেটে ব্যথা, বমি নিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়। প্রায় একমাস চিকিৎসা চলার পর ওই শিশুকে মালদা থেকে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে রেফার করা হয়। এরপরই ওই শিশুর রক্ত সহ শারীরিক সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করে মহারাষ্ট্রের পুনেতে চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়। প্রায় পাঁচ মাস পর গত তিনদিন আগে বার্ড ফ্লু জড়িত সংক্রমণ ওই শিশুর শরীরে মিলেছে বলে রিপোর্টে পাঠানো হয়। আর তারপর থেকেই রাজ্যজুড়ে চরম শোরগোল পড়ে যায় । ভারতের ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রের একজন এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদার কালিয়াচকের একজন মোট দুই মানবদেহে এই ধরনের পশু- পাখির রোগের সংক্রমণ মিলেছে। যা অতীতে ভারতবর্ষের কোথাও কোনদিন দেখা যায়নি। বিগতদিনে বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি বার্ড ফ্লু আক্রান্ত হয়েছিল বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দীপঙ্কর মাঝি বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। তবে ওই শিশু এবং তার পরিবার নজরদারিতেই থাকবে। পাশাপাশি পুরো বিষয়ের রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

জুন ১৫, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজ্য

কেমন আছে, মিঠুন চক্রবর্তী? তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে জানালেন শমীক

গতকালের তুলনায় আজ অনেক বেশি ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি জানিনা কিছু মানুষ কেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন তার দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য। আধঘন্টা গল্প হল। রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা ডাক্তাররা করেছে। বর্তমানে যেই সরকারটা আছে সেই সরকারটার ছবি বানাতে তাকে প্রয়োজন। ছবি উনি করবেন। এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে উনি করবেন। আমাদের পার্টির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে, দূর দূর পর্যন্ত যার এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। থানার পাশেই তাঁর বাড়ি। যাকে বলছে গ্রেফতার করেছে তাকে পুলিশ বলছিল একটু ম্যানেজ করার চেষ্টা করার জন্য পুলিশ তাঁকে বলেছে। আর শাহাজাহান, শিবু হাজরাদের ওদের কোলে বসিয়ে রেখেছে। এই নাটক কত দিন চলছে চলবে এখনো। সরকারটা কাজ চলছে তৃণমূলে, এইজন্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এগিয়ে বাংলা, এইরকম সরকারও নেই এরকম প্রদেশও নেই। এইজন্যেই এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে তার জন্যই মিঠুন দাকে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে।। শেখ শাহজাহানকে তলব করছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করছে ই ডি। তৃণমূল যখন চাইবে শাহজাহান তখন আত্মপ্রকাশ করবে। গতকাল একটি নাটক করল সাসপেন্ড করে, মানুষের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচার করে তাদের জীবন জীবিকা লুট করে যখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল না দল সাসপেন্ড করলো পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিল। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দল সাসপেন্ডও করতে পারবে না ওই একটি শোকজ করলে করতে পারে। আর যদি মনে হয় তৃণমূল সরকারটা যতদিন আছে ততদিন ওকে জামাই আদর করে রাখবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

আমাকে দেখে হাত নেড়েছেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখে বেরিয়ে বললেন মমতা

কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন তিনি। তাঁর সিওপিডি আছে। সোমবার তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ভেন্টিলেশন থেকে মুক্ত হলে বাইপ্যাপ সাপোর্টে আছেন বুদ্ধদেববাবু। সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে উডল্যান্ডস হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট দশেক ছিলেন তিনি। কেমন আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? উডল্যান্ডস থেকে বেরিয়ে তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, হাসপাতালে ঢুকেই সোজা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কেবিনের কাছে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চিকিৎসকদের থেকে বুদ্ধদেবের স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নেন।পরে সংবাদ মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার যতটুকু মনে হল উনি আমাকে দেখে হাত নাড়লেন। এখন উনি ভালই আছেন, স্টেবল আছেন। বাইপ্যাপ চলছে। ওনার জ্ঞান আছে, বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, এটা যাঁরা এখানে মেডিক্যাল বোর্ডে আছেন, ট্রিটমেন্ট করছেন তাঁরাই বলতে পারেন। আমি তো আর ডাক্তার নই।মুখ্যমন্ত্রীর বলার পরই বুদ্ধদেববাবুর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এক চিকিৎসকের কথায়, ওনাকে একটু আগেই আমরা ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করতে পেরেছি সাফল্যেপ সঙ্গে। ওনার সব প্যারামিটার স্টেবল আছে। আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো আছেন উনি।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করে আনা হয়েছে। আপাতত শুধু মাত্র বাইপ্যাপ সার্পোটের উপরেই রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আপাতত ভেন্টিলেশনের বাইরে রয়েছেন তিনি। এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রক্তদান শিবির বর্ধমানে

রবিবার (৩০/০৭/২০২৩) উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (UUPTWA)পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে টেরেসা ওম ব্লাড সেন্টার এর সহযোগিতায় এক রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান এবং ফোর্টিস হাসপাতাল (Fortis Hospital) এর সহযোগিতায় উস্থী সংগঠনের অভয় গ্রুপ মেডিক্লেম এর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যপরীক্ষা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় লায়ন্স ক্লাব অফ বর্ধমান মিডটাউন, ইন্দ্রকানন, শ্রীপল্লীতে।পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪১ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন ও ৬৬ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য অভীক নন্দী ও অমলেশ রায় বলেন যে প্রাথমিক শিক্ষকদের ঐতিহাসিক দিন ২৬/০৭/২০১৯ কে সামনে রেখেই প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এছাড়া আরও বলেন যে উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের গ্রুপ মেডিক্লেম AVAY পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সঙ্কটে, তবু তীব্র বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে

এখনও সঙ্কট কাটেনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সিটি স্ক্যান করা হতে পারে। রাইলস টিউবে খাওয়ানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। সুগার নিয়ন্ত্রণে তাঁকে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। সচেতন রয়েছেন, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। শুনতে পাচ্ছেন, জানাচ্ছে মেডাক্যাল বোর্ড। ফুসফুস ও শ্বাসনালীতে সংক্রমণ কাটাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আগামিকাল আরও রক্তসহ নানা শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এদিন হঠাৎ তাঁর রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল। কিডনিতেই সমস্যা রয়েছে বুদ্ধদেববাবুর। এদিকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তবে তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, বুদ্ধদেববাবুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। তবে যাঁরা তাঁকে মহাপুরুষ বানাচ্ছেন সেটাও ঠিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিকিৎসার দিকে নজর রাখছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন সিপিএম নেত্রী কনীনিকা ঘোষ। তিনি বলেন, জেলখাটা আসামী এমন কথা বলতেই পারেন। এরা কি মানুষ! লজ্জা হয়। আমি ধিক্কার জানাই। কুণালের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কুণাল ঘোষের শিক্ষা-দিক্ষা, রুচি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। উনি যা বলেছেন তিনি তাঁর রুচি অনুযায়ী বলেছেন। আমরা দেখতে গিয়েছি তাতে কারও যদি আদিখ্যেতা মনে হয় কিছু বলার নেই।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হওয়ার পর হাসপাতালে গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীকে সৎ বলেই আখ্য়া দিয়েছেন। তারপর এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সুত্রপাত হয়।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল

অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শনিবার ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর অক্সিজেনের মাত্রা ৭০-এর নীচে নেমে গিয়েছিল। কমে গিয়ছিল পটাশিয়ামের মাত্রাও। এদিন সকাল ১১টা থেকেই তাঁর সমস্যা শুরু হয়। সেই কারণেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, ধ্রুব ভট্টাচার্য, সৌতিক পণ্ডা, সুস্মিতা দেবনাথ, আশিস পাত্র, অঙ্কন বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি বসু ও সরোজ মণ্ডলের মত পালমোনোলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন-সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে আট সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল টিমই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেই চিকিৎসা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সি-প্যাপ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল শনিবার সংস্কৃত কলেজের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে তিনি খবর পান। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান হাসপাতালে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার পর রাজ্যপাল জানান, দক্ষ চিকিৎসকরা তাঁর দেখভাল করছেন। আশা করা যায়, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। সিপিএমের তরফে রবীন দেবও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্সিজেনের মাত্রা বর্তমানে স্বাভাবিকের পথে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মিত মেডিক্যাল বুলেটিনে যাবতীয় বিষয়গুলো জানানো হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। টুইট করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও।দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থ। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মাঝে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্বাসকষ্ট, সিওপিডিও এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যায় রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার পর পরিবারের লোকজন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে খবর দেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন পাম এভিনিউয়ের বাড়ি থেকে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ক্রিটিক্যাল কেয়ারের অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে আনা হয় হাসপাতালে। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন সপ্তর্ষি বসু-সহ দুজন চিকিৎসকও। এরপর গ্রিন করিডরে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন বাড়িতে রুটিন চেক আপে ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারে বরাবর অনীহা রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে গুজব, সব্যসাচী লিখলেন, 'আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে'

বুধবার গভীর রাতে সব্যসাচী চৌধুরী সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে। অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মাকে ফের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এখনও সঙ্কটজনক অভিনেত্রী। শারীরিক অবস্থার উন্নতি নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকরা। সমস্ত রকম চেষ্টা করছেন তাঁরা। এরইমধ্যে গতকাল সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যরাতে সেই খবরগুলিকে মিথ্যা জানিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে ফেসবুক পোস্ট করেন ঐন্দ্রিলার বন্ধু সব্যসাচী চৌধুরী। তারপর যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটে।হঠাৎ স্ট্রোক করে দুই সপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি হন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ভর্তির পর চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। শহরজুড়ে প্রার্থনা চলে এই অভিনেত্রীর জন্য। সর্বদা তাঁর পাশে রয়েছেন সব্যসচী চৌধুরী। বুধবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ঐন্দ্রিলা। ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা ফের তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখেন। এবার সোশাল মিডিয়ায় অভিনেতা সৌরভ দাস লিখেছেন, বেঁচে আছে এখনও। মেরে ফেলো না ওকে। পায়ে ধরছি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
স্বাস্থ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবার প্রতিবাদে তুমুল বিক্ষোভ

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পেয়ে সোমবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জড়ো হয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ঘটনা পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রামের দিগনগরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় দশবছর ধরে চিকিৎসক নেই। এখানে নার্স ও ফার্মাসিস্ট চিকিৎসা করেন। তাও আবার অনিয়মিত। এছাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো ভেঙে একোবারে পড়েছে। ঠিকমতো পরিস্কার হয় না।সন্ধ্যা হলেই হাসপাতাল চত্বরে সমাজবিরোধীদের মদ জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এইসমস্ত অভিযোগ তুলে এদিন স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। অথচ এলাকার ৭ - ৮ টি গ্রামের ১০ থেকে ১২ হাজার বাসিন্দা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। অথচ স্থানীয় নেতা থেকে মন্ত্রী, কিংবা বিধায়কের কোন উদ্যোগ নেই।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

'আমি ষড়যন্ত্রের শিকার' পার্থের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাজ্যের তিন তিনটে মন্ত্রিত্ব খুইয়েছেন, দলের মহাসচিব পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন এমনকি তৃণমূল কংগ্রেস পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও সাসপেন্ড করেছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব-ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সদ্য দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত পার্থ জানিয়ে দেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই দলের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলে আসছিলেন, সুযোগ থাকা স্বত্তেও মিডিয়ার সামনে কিছু বলছেন না, তিনি বলতেই পারতেন আমি নির্দোষ। আমিও যখন সারদা কান্ডে গ্রেপ্তার হয়েছি তখন নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্তেও আমি বারে বারেই একথা বলেছিলাম।মন্ত্রিত্ব ও দলের সমস্ত পদ হারানোর পর এদিন ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন সেই প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যে শোরগোল পরে গেছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। তাহলে ষড়যন্ত্রকারিরা কে? এই প্রশ্নে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসসি দুর্নীতি কান্ডের আরেক অভিযুক্ত পার্থর বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা এদিন হাসপাতালে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাউমাউ করে কেঁদে ভাসান এবং গাড়ি থেকে নামানোর সময় তিনি পড়েও যান। তাতে তাঁর পায়ে হালকা আঘাত লাগে।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারস ইন্ডিয়া' এর৫০ বছরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠিত হলো সল্টলেকে ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারদের ৫০ বছরে কাটেন রেজার উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইনস্টিটিটিউশন অফ পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারস ইন্ডিয়া ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এই উপলক্ষে সল্টলেক সি কে ৫৮ করুণাময়ীর কাছে তাদের নিজস্ব ভবনের প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন পদ্মশ্রী প্রফেসর ড অজয় কুমার রায়, অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন কে জে নাথ, উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বি কে সেনগুপ্ত, ড গৌতম কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে এই সংস্থার কাটেন রেজার উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ড অজয় কুমার রায়। উপস্থিত সকলেই এই সংস্থার পঞ্চাশ বছরের নানা স্মৃতিচারণ করেন। এরপর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠিত হয় গীতি আলেখ্য কিছু কথা কিছু গান। গীতি আলেখ্যটি রচনা করেছেন ভারতী চক্রবর্তী, অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ছন্দা ব্যানার্জী, দীপালি দত্ত, ভারতী চক্রবর্তী, সুস্মিতা সরকার, শর্বরী সেনগুপ্ত। শিল্পীদের কণ্ঠে ভালো লাগে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে, আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে, আধুনিক গান ওই উজ্জ্বল দিন ডাকে স্বপ্ন রঙিন, উইসেল ওভার কাম প্রমুখ গানগুলি। তরুণ কুমার দত্তর গলায় ভাষ্য পাঠ অনবদ্য লাগে শুনতে। এরপর ছিল শিল্পী শ্যামলী ভট্টাচার্য র ইলেকট্রিক গিটারে লঘু সংগীতের সুর। তিনি বাজিয়ে শোনান প্রয়াত সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এর আকাশের আস্ত রাগে, প্রয়াত লতা মঙ্গেশকর এর হিন্দিগান জিন্দে গি পেয়ার কি গীত হ্যায় ও প্রয়াত বাপ্পি লাহিড়ী র গান আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো। সকলের মন ভরে যায় শিল্পীর গিটার বাদন। শিল্পীকে তবলায় সঙ্গত করেন পার্থ ভট্টাচার্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সঞ্চলনায় ছিলেন সংস্থার সম্পাদক তরুণ কুমার দত্ত। সমগ্র অনুষ্ঠানটি এককথায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

মার্চ ১১, ২০২২
দেশ

মহাশিবরাত্রিতে দেশবাসীর জন্য মঙ্গলকামনা প্রধানমন্ত্রীর

মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মহাদেবের কাছে সকলের জন্য মঙ্গলও কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার মহাশিবরাত্রির পবিত্রক্ষণে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা। দেবতাদের দেবতা মহাদেব সকলের মঙ্গল করুক। ওঁম নমঃ শিবায়।महाशिवरात्रि के पावन-पुनीत अवसर पर आप सभी को मंगलकामनाएं। देवों के देव महादेव सबका कल्याण करें। ओम नम: शिवाय। Narendra Modi (@narendramodi) March 1, 2022মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালেই উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের গোরক্ষনাথ মন্দিরে পূজার্চনা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।পাশাপাশি মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রহরে প্রহরে মহাদেবের পুজো করছেন ভক্তরা। মন্দিরে মন্দিরে ভিড় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ভক্তদের। জম্মু-কাশ্মীরের রিয়েসি জেলায় শম্ভু মহাদেব মন্দিরে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে মহাদেবের পূজার্চনা করা হয়।

মার্চ ০১, ২০২২
রাজ্য

স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্যে বাড়ছে ডাক্তারি পড়ুয়ার আসন

রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে হাসপতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে ডাক্তারের সংখ্যার ঘাটতি মেটানোর দিকে একধাপ এগুলো রাজ্য।বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে স্নাতকোত্তর ডাক্তারি পড়ুয়াদের আসন সংখ্যা অনেকটা বাড়ছে। রাজ্যের ১৭ মেডিক্যাল কলেজে স্নাতকোত্তর মোট ৬৫০টি আসন বাড়ছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে এই আসন বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।স্বাস্থ্যভবন থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি মেডিক্যাল কলেজগুলির কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরে। এই আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী কী প্রযুক্তি ও বায়ো মেডিক্যাল সামগ্রী প্রয়োজন, সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে হাসপাতালগুলিকে।স্বাস্থ্য সূত্রে খবর কলকাতা ন্যশনাল মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম, এনআরএস, আরজি কর-সহ ১৭ কলেজে স্নাতকোত্তর স্তরে আসন বৃদ্ধি হচ্ছে। আসন বাড়ছে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, ডায়মন্ড হারবার, পুরুলিয়া, রামপুরহাট, কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজেও। আসন বৃদ্ধির তালিকায় রাখা হয়েছে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বর্ধমান, উত্তরবঙ্গ ও রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজকে। আসনের নিরিখে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে জেলার মেডিক্যাল কলেজগুলিতে। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে বাড়বে ৮২ টি আসন, সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে বাড়তে চলছে ৪৮টি আসন, মুর্শিদাবাদে বাড়তে চলছে ৬২টি আসন, মালদা, রামপুরহাট, পুরুলিয়ায়, রায়গঞ্জ ও কোচবিহারে ৮২ টি আসন বাড়ছে। মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ৪টি করে আসন বাড়ছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ৮টি করে আসন বাড়তে চলেছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ৪টি করে আসন বাড়তে চলেছে। আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ, নীলরতনেও ৪টি করে আসন বাড়তে চলেছে। এসএসকেএম হাসপাতালে ১২ টি করে আসন বাড়তে চলেছে।শুক্রবার ৮টি মেডিক্যাল কলেজের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্যভবনের বৈঠক রয়েছে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণের হার

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা দৈনিক করোনা বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪০৯ জন, যা সোমবারের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। মঙ্গলবার দেশে সংক্রমণের হার ২.২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮২ হাজার ৮১৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর ফলে মোট চার কোটি ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৮ জন করোনা মুক্ত হলেন। সোমবার দেশে ১২ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৩৬টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে কমেছে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের একাধিক নয়া স্ট্রেন হানা দিয়েছে বিশ্বের সর্বত্র। বাদ পড়েনি ভারতও। তার বিরুদ্ধে লড়তে জোরকদমে দেশে চলছে টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৩ লক্ষের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। সংক্রমণ কমতে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে ছোটদের স্কুলও খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাতেও বুধবার থেকে তা খুলে দেওয়া হবে। তবে কড়া কোভিডবিধি মেনেই চলবে ক্লাস, সে বিষয়ে সতর্ক সব রাজ্যই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৭১ হাজারের বেশি

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তবে বুধবারই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৭১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৫৯৭। অন্যদিকে, দেশে একদিনেই ১২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৯-এ।লাখের গণ্ডির নীচে থাকলেও, দেশে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৬৫ জন, যা গতকালের তুলনায় ৫.৬ শতাংশ বেশি। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৭৬-এ। দেশের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে দাঁড়িয়েছে।এদিকে, দেশের করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৮২৮। দেশের মোট আক্রান্তের ২.১১ শতাংশ সক্রিয় রোগী। একইসঙ্গে কমেছে সংক্রমণের হারও। বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ৪.৫৪ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ৭.৫৭ শতাংশ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ৫টি রাজ্য থেকেই দৈনিক সংক্রমণের ৬৭.২১ শতাংশের খোঁজ মিলছে। এরমধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল, সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭১। দেশের মোট সংক্রমণের ৪১.৩ শতাংশই কেরল থেকে খোঁজ মিলছে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬১০৭ জন। এরপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১৯। কর্নাটক ও রাজস্থানেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৫২ এবং ৩৪১১।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারের এক পোস্টেই তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব! কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, কেন তাঁকে খোঁচা?

বিশ্বকাপে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই দুই ঘটনার পরই ব্রাজিল তারকা নেইমারের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি লিখেছেন, মিস্টার জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, পরের বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবং কেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করলেন নেইমার?জোয়াকিম ক্লেমেন্ট পেশায় একজন জার্মান অর্থনীতিবিদ। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি পরিচিত তাঁর বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। অতীতে তিনি বিশ্বকাপ জয়ীদের নিয়ে একাধিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবের সঙ্গে মিলেছিল। সেই কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এবার ক্লেমেন্ট দাবি করেছিলেন, নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ জিতবে এবং ব্রাজিল জাপানের কাছে হেরে বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দেখা যায়। ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে। অন্যদিকে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। একদিনেই ভুল প্রমাণিত হয় তাঁর দুই বড় ভবিষ্যদ্বাণী।ব্রাজিলের জয়ের পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে সেই ভাইরাল পোস্ট করেন। পরে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও ক্লেমেন্টের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ভুল প্রমাণিত হওয়া ভবিষ্যদ্বাণীর জবাব দিতেই এই কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিল তারকা।এর আগে ক্লেমেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মান আগের মতো নয়। সেই মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ের পর সমর্থকদের একাংশের দাবি, মাঠের ফলই সমালোচনার সবচেয়ে বড় জবাব দিয়েছে সেলেকাও ফুটবলাররা।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মোথাবাড়ি কাণ্ডে বড় বিস্ফোরণ! একসঙ্গে তেইশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, খুনের চেষ্টার অভিযোগও

মোথাবাড়িতে বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্তে আরও বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় মোট তেইশ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে খুনের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।জানা গিয়েছে, প্রথম মামলায় বাইশ জন এবং দ্বিতীয় মামলায় একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলার চার্জশিটের দৈর্ঘ্য চুয়ান্ন পাতা এবং দ্বিতীয় মামলার চার্জশিট এগারো পাতার। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অভিযুক্তরা সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, বিচারকদের হেনস্তা, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।মোথাবাড়ি অশান্তির ঘটনায় মোট বারোটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই চারটি মামলায় একত্রিশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে একাধিক অভিযুক্তের নাম ছিল। এবার আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়ার ফলে মোট ছয়টি মামলায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পূর্ণ হল। এখনও বাকি থাকা মামলাগুলির তদন্তও দ্রুত এগোচ্ছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া নতুন চার্জশিটে আরও কয়েকজন অভিযুক্তের নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলে আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা বিডিও অফিসের ভিতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে বিচারকদের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। মহিলা বিচারক-সহ একাধিক সরকারি কর্মী হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও চার্জশিট জমা পড়তে পারে বলেও সূত্রের দাবি।

জুন ৩০, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই চাঞ্চল্য! বাংলাদেশজুড়ে কারা ওড়াচ্ছে এই রহস্যময় কালো-সাদা পতাকা?

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে রয়েছে গোটা বিশ্ব। উপমহাদেশের কোনও দেশ প্রতিযোগিতায় না থাকলেও ফুটবল নিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়েনি। প্রতিবেশী বাংলাদেশেও প্রতি বিশ্বকাপেই ফুটবল নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে থাকে। তবে এবার ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি অন্য একটি বিষয় ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে কালো-সাদা রঙের আরবি লেখাযুক্ত এক ধরনের পতাকা। সেই পতাকা নিয়ে বাইক মিছিলও হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তার ধারে সারি সারি ওই পতাকা টাঙানো থাকতেও দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।প্রথমবার গত সতেরো জুন ঢাকায় এই ধরনের পতাকা প্রকাশ্যে দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে মিরপুর, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, পাবনা-সহ বাংলাদেশের একাধিক এলাকায় একই ধরনের পতাকা দেখা যেতে শুরু করে। বিশ্বকাপ চলাকালীন এই পতাকা কেন এত জায়গায় দেখা যাচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।সামাজিক মাধ্যমে এই পতাকা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। একটি পরিচিত ধর্মীয় বিষয়ক পাতা থেকে দাবি করা হয়েছে, এই পতাকাকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা হলে অন্য দেশের জাতীয় পতাকা নিয়েও একই প্রশ্ন তোলা উচিত। পাশাপাশি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এই ধরনের পতাকা বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমানে যে দুটি ধরনের পতাকা দেখা যাচ্ছে, তার একটি আফগানিস্তানের তালিবানদের ব্যবহৃত পতাকার সঙ্গে মিল রয়েছে। অন্য ধরনের পতাকার নকশার সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির ব্যবহৃত পতাকার সাদৃশ্য রয়েছে বলেও মত তাঁদের। যদিও শুধুমাত্র পতাকার চেহারা দেখে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ, এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে এই পতাকাগুলির উৎস, উদ্দেশ্য এবং কারা এগুলি ছড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপের সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তিন বছর পর বড় পদক্ষেপ! তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী সংস্থা, চাঞ্চল্য রিষড়ায়

রামনবমীর সময় রিষড়ায় হওয়া অশান্তির মামলায় বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছর পর মঙ্গলবার রিষড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী।মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল রিষড়ায় সাকির আলির বাড়িতে পৌঁছয়। বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সাকির আলি রিষড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। দুই হাজার তেইশ সালে রামনবমীর সময় রিষড়ায় যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। সেই সময় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দিন কারফিউও জারি করা হয়েছিল।তদন্তের শুরু থেকেই এই মামলাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কারণ, সাকির আলি শুধু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামীও। যদিও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে অপরূপা পোদ্দারকে আর প্রার্থী করা হয়নি, সাকির আলি কাউন্সিলর পদে বহাল ছিলেন।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পুরনো মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এই গ্রেপ্তারের পর রামনবমীর অশান্তি মামলার তদন্তে নতুন মোড় এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কেউ তদন্তের আওতায় আসেন কি না, সেদিকেই এখন নজর।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বড় পদক্ষেপ! হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তার পর মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর বিতর্কিত স্যাটাভাঙা মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া দুটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগামী তিন ও পাঁচ জুলাই থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, তিনি এই মুহূর্তে বাড়িতে নেই। তাই নোটিসের বিষয়ে তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। নোটিস হাতে পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, তিনি কারও দাসত্ব করবেন না।গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকায় একটি রাজনৈতিক সভায় হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই সভায় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্য করেন। পাশাপাশি মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি ভয় পান না বলেও দাবি করেন। পরে শক্তিপুরের আরেকটি সভায় তিনি স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিককে নিয়েও প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন। সেই বক্তব্যও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।এই ঘটনাগুলির পর সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, আইনই শেষ কথা বলবে এবং বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা পুলিশই নেবে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই রাজনৈতিক সভার তিন আয়োজককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার সকালে তদন্তের অংশ হিসেবে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে দুটি মামলায় থানায় হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে পুলিশ।এখন হুমায়ুন কবীর নির্ধারিত দিনে থানায় হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলার তদন্তে আগামী দিনে আরও কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের কোটি কোটি টাকার তহবিল নিয়ে নতুন মোড়! হাই কোর্টে যা ঘটল, বাড়ল জল্পনা

তৃণমূলের তহবিল নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে ফের বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট শিবির। দলের তহবিল সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত তালিকার বাইরে এই মামলার শুনানি এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই মামলার শুনানি হবে।আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মামলায় সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতের কাছে আবেদন জানান, দ্রুত শুনানি সম্ভব না হলেও অন্তত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির সুযোগ দেওয়া হোক।কালীঘাট শিবির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন গোষ্ঠী গঠনের পর থেকেই তৃণমূলের প্রতীক ও তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের জেরে দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে আবেদন করেন, যাতে দলের কোনও পক্ষই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। ওই তিনটি অ্যাকাউন্টে মোট চারশো চল্লিশ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে।তহবিল নিয়ে বিরোধ আদালতে পৌঁছানোর পর মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। এদিকে ঋতব্রতপন্থী শিবির দলের আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ তথ্য জানতে বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও করেছে।সোমবার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলে বিচারপতি নির্দেশ দেন, মামলায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারকে পক্ষ হিসেবে যুক্ত করতে হবে এবং তাঁদের কাছে নোটিস পাঠাতে হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর মঙ্গলবার ফের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি।বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে মামলার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করা হবে না। তবে রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal